মোঃ জাবেদ হোসেন : চাঁদপুরের বিষ্ণুপুরে প্রকাশ্যে ডাকাতি অতপর হাত-পা বেঁধে কিশোরীকে শ্ল্লীতাহানির চেষ্টার অভিযোগ এর খবর পাওয়া গেছে।
ঘটনা টি ঘটে গত ১০ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ১নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মনোহরখাদী গ্রামের প্রধানীয়া বাড়ীতে।
ঘটনার বিবরণে আব্দুল রশীদ প্রধানিয়ার নাতনি মেঘলা আক্তার (১৫) জানায় সকাল ১০ টায় আমার নানা আর নানি আমাকে ঘরে রেখে কাজে গেলে একা একা আমার ভালো লাগেনা তাই আমি ঘর বন্ধ করে পাশের বাড়িতে গিয়ে বসে থাকি। এর পর আনুমানিক সকাল ১১টায় আমি ঘরে গিয়ে দেখি গামছা দিয়ে মোখ পেচানো ৪ জন ডাকাত নানিদের স্টিলের আলমারি ও ট্যাংক ভেঙ্গে নগদ টাকা স্বর্ণের চেইন কানের দুল, আংটি নিয়ে যাওয়ার সময় আমি ঢাক,চিৎকার করলে ওরা আমার হাত, পা, মুখ বেঁধে গায়ের পরা জামা ছিড়ে ফেলে গলায় ছুরি ধরে রাখে এতে আমি চুপ হয়ে যাই। তার পরে চারজনের ভিতর কথা হলে পাশের বাড়ীর শামছুল মোল্লার ছেলে আক্তার হোসেন মোল্লার মুখ থেকে গামছা পড়ে গেলে তাকে চিনতে পারি এতে করে খুব তাড়াতাড়ি তারা চারজন পালিয়ে যায়।
আমি কোন রকম ভাবে মুখের বাঁধা উড়না সরিয়ে ঢাকচিৎকার করলে পাশের বাড়ির আসমা বেগম আমার কাছে এসে হাত পা এর বাধন খুলে দেয়। মেঘলা আক্তারের নানা আব্দুল রশিদ প্রধানিয়া বলেন আমি দুপুর,১টায় খবর পেয়ে আমার বাড়িতে এসে দেখি নাতনী কান্না কাটি করে, আমার স্টিলের আলমারী ও ট্যাংক ভাঙ্গা। কিস্তি থেকে উত্তলন করা নগদ ১লাখ ৪০ হাজার টাকা, কানের দুল, চেইন সহ দেড় বর্ড়ি স্বর্ণ নিয়ে গেছে ডাকাতরা।
খবর পেয়ে ১নং ওয়ার্ড মেম্বার খোরশেদ বরকন্তাজ ঘটনা স্থলে আসে এবং চাঁদপুর সদর মডেল থানায় এ ঘটনা জানায়।
এদিকে চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন খাঁন শামিম মেয়ের মুখের কথা শুনে একই এলাকার শামছুল মোল্লোর ছেলে ডাকাত আক্তার হোসেন মোল্লাকে গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়েআসে। পরে চাঁদপুর মডেল থানার কাছে হস্থান্তর করে। এব্যাপারে চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্য নাছিম উদ্দিন বলেন,এ ঘটনার খবর পেয়েছি এবং যারা এরকম কার্য্যকর্মের সাথে জড়িত আছে তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এঘটনায় আক্তার হেসেন নামে একব্যাক্তি কে বিষ্ণুপুর চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন খান শামিম আমাদের কাছে হস্থান্তর করে। বর্তমানে থানা হেফাজতে আছে। এঘটনায় গ্রাম বাসীর মনে আতংক বিরাজ করছে। বিস্তারিত জানতে পড়ের সংখ্যায় চোঁঁখ রাখুুন।



0 coment rios: